গণতন্ত্র-আলাপ ২২: মওলানা ভাসানীঃ জীবন ও সংগ্রাম
গত ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশের নিপীড়িত মজলুম জনতার নেতা মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে। এ উপলক্ষ্যে আগামী ২২ নভেম্বর নেটওয়ার্ক এক ওয়েব আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। ব্রিটিশ ভারত, পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে ভাসানী ছিলেন জনতার অকুতোভয় বিপ্লবী কণ্ঠস্বর। তাকে একটি নির্দিষ্ট অভিধায় বন্দি করা কঠিন। তিনি জালেমের বিরুদ্ধে লড়েছেন অবিরাম। সেই ভাসান চর থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত তিনি ইতিহাসের পথ অতিক্রম করেছেন অমিত তেজে দৃপ্তপদে। তিনি নিপীড়িতের কথা বলেছেন, কৃষকের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন, তিনি সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন, পাক- মার্কিন সামরিক চুক্তির বিরোধিতা করেছেন। তিনি ধর্ম দিয়ে মানুষকে নিপীড়নের বিপরীতে তাকে মানুষের মুক্তির হাতিয়ারে পরিণত করতে চেয়েছেন। তিনি পাকিস্তানি সামরিকতন্ত্র ও কর্তৃত্বেকে রুখে দাঁড়িয়েছেন। বজ্রনির্ঘোষ হুংকারে ‘খামোশ‘ বলেছেন। তিনিই প্রথম পাকিস্তানকে বিদায় জানান। বাংলাদেশ পর্বে যুদ্ধত্তোর পরাক্রমশীল আওয়ামী দুঃশাসনকে তিনি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে স্পর্ধা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশের নদনদী, পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় জনগণকে সংগঠিত করে ঐতিহাসিক ফারাক্কা মিছিল করেন। আসুন, বাংলার ‘রেড মওলানা‘কে আমরা তার মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ করি।
আলোচকঃ
আনু মুহাম্মদ, জনবুদ্ধিজীবী ও সম্পাদক, সর্বজনকথা
সৌমিত্র দস্তিদার, সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা
ফয়জুল হাকিম লালা, সম্পাদক, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
সঞ্চালকঃ
আখতার সোবহান মাসরুর, ৯০ গণঅভ্যুত্থানের ছাত্রনেতা