গণতন্ত্র-আলাপ ২০ : মামদানির নিউইয়র্ক বিজয়
নিউ ইয়র্ক সিটি— বিশ্ব পুঁজিবাদের প্রাণকেন্দ্র, কর্পোরেট শক্তি ও আর্থিক অভিজাতদের নগরী। সেই শহরের নেতৃত্বে এখন একজন স্বঘোষিত সমাজতান্ত্রিক: জোহরান মামদানি। উগান্ডায় জন্ম নেওয়া, ভারতীয় বংশোদ্ভূত, তরুণ এই রাজনীতিকের হাতে শহরটির নেতৃত্ব চলে যাওয়াটা শুধু একটি নির্বাচনী ঘটনা নয়— বরং কেউ কেউ একে বলছেন এক গভীর রাজনৈতিক বার্তা।
মামদানি তাঁর প্রচারণায় যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা ছিল অন্যরকম— ‘বিনামূল্যে বাস সার্ভিস’, ‘ভাড়া নিয়ন্ত্রণ’, ‘ধনিকদের ওপর কর বৃদ্ধি’, ‘শ্রমজীবীদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার’। তিনি কোনো কর্পোরেট লবি নয়, বরং তৃণমূল সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবক আর প্রান্তিক মানুষের শক্তিতে গড়ে তুলেছেন তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা।
এই বিজয় তাই বিশ্বজুড়ে প্রগতিশীল, এন্টি-এস্টাবলিশমেন্ট ও শ্রমজীবী রাজনীতির এক নতুন আশার প্রতীক হয়ে উঠছে।
কিন্তু প্রশ্নও কম নয়— একজন সমাজতান্ত্রিক মেয়র কি সত্যিই পুঁজিবাদের এই কেন্দ্রবিন্দুতে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারবেন? তাঁর এই সাফল্যের রহস্য কোথায়? এবং সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— বাংলাদেশের মতো অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোয় এমন এক উদাহরণ থেকে আমরা কী শিক্ষা নিতে পারি?
আলোচনায় থাকবেন:
• আলতাফ পারভেজ, গবেষক ও ইতিহাসবিদ
• অর্ক ভাদুড়ি, সাংবাদিক
সঞ্চলনা করবেন:
তন্ময় কর্মকার, সদস্য, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক