গণতন্ত্র-আলাপ পর্ব-১৫ : অভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষ ও শ্রম সংস্কার কমিশন
জুলাই আন্দোলনে শ্রমিকদের ব্যাপক স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ গোটা আন্দোলনকে অভ্যুত্থানে রূপ দেয়। শহীদদের ৮০ ভাগই ছিলো শ্রমজীবী মানুষ। তাই শ্রমজীবীদের অংশগ্রহণ ও তাদের দাবি আদায়ের দিক থেকে জুলাই অভ্যুত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ বাক। উপর তলার এলিট ঐকমত্য বা সম্মতির বাইরে সংগ্রামকে গণমানুষ বিশেষত মেহনতি জনতার দিক থেকে উপলদ্ধি করাটাও জরুরি। মেহনতি জনতার অংশগ্রহণ ব্যতীত বৈষম্য বিরোধী ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়া অসম্ভব।
শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের লড়াইয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় গঠিত হয় শ্রম সংস্কার কমিশন। শ্রম কমিশনের প্রতিবেদন এক যুগান্তকারী মাইলফলক । বহু দশকের পুরনো, পশ্চাৎপদ ও নিবর্তনমূলক ২০০৬ সালের শ্রম আইনকে নতুন শ্রম বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার সাহসী উদ্যোগ কি নেয়া হয়েছে শ্রম কমিশন প্রতিবেদনে? সার্বজনীন শ্রম অধিকার, ন্যায্য মজুরি, চাকরির সুরক্ষা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সামাজিক সুরক্ষা ও ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠনের অধিকার বিষয়ে কোন নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে কি এই প্রতিবেদনে? প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক খাতের বিপুল সংখ্যক শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার কোন নির্দেশনা আছে কি এতে? চতুর্থ ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের যুগে আমাদের শ্রমজীবীদের অবস্থান কি হবে? শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন কি শুধু একটি সরকারী প্রশাসনিক নথি হয়েই থাকবে — নাকি এটি দেশের খেটে খাওয়া শ্রমিক শ্রেণির জীবনে কোন ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে? এসব নিয়েই আমাদের পরবর্তী গণতন্ত্র-আলাপঃ "অভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষ ও শ্রম সংস্কার কমিশন"।
আলোচক হিসেবে থাকবেনঃ
সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ
শ্রম সংস্কার কমিশন প্রধান এবং নির্বাহী পরিচালক, বিলস
এ্যাড. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস
প্রধান সমন্বয়কারী, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি এবং বিশেষ সহকারী, বিএনপি চেয়ারপার্সন
আরমান হোসাইন
আহবায়ক, অভ্যুত্থানকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা
সঞ্চালনা করবেন-
আখতার সোবহান মাসরুর, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ছাত্রনেতা এবং সদস্য, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে আমাদের ধারাবাহিক আয়োজনে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই।