গণতন্ত্র-আলাপ পর্ব-৭ : অন্তর্ভূক্তি ও অংশগ্রহণের রাজনীতি
সবলের শাসন গণতন্ত্র নয়; এটি একনায়কতন্ত্রের ভিত্তি। একনায়কতন্ত্র এবং ফ্যাসিবাদের বিপরীত হচ্ছে গণতন্ত্র, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের রাষ্ট্রগঠনে সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হয়। সুতরাং, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হলো বিদ্যমান বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা, যা শ্রেণি, লিঙ্গ, জাতীয়তা, ধর্ম, সক্ষমতা, বয়স ইত্যাদি নানাবিধ কারণে প্রান্তিকতা সৃষ্টি করে, তার অবসান ঘটানো। বাংলাদেশে একটি বৈষম্যহীন এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজ গড়ার জন্য সবলের আওয়াজের আড়ালে চাপা পড়ে যাওয়া প্রান্তিকের কণ্ঠস্বরকে সামনে আনতে হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ফ্যাসিবাদের পতনের পর গণতন্ত্রের আওয়াজের মধ্যেও প্রান্তিক করে তোলা জনগোষ্ঠীর স্বর অনেক সময় আরও উপেক্ষিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক এমন একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে, যা বৈচিত্র্যকে উদযাপন করে। ফলে ফলে আমরা শ্রেণি, লিঙ্গ, ধর্ম এবং জাতীয়তার ভিত্তিতে প্রান্তিককরণ রোধ এবং অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘অন্তর্ভুক্তি এবং অংশগ্রহনের রাজনীতি’ শিরোনামে ‘গণতন্ত্র আলাপ-৭’ এর আয়োজন করেছি。
আলোচকঃ
মোশরেফা মিশু, সাধারণ সম্পাদক, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি ও সভাপতি, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম
ইলিরা দেওয়ান, আদিবাসী অ্যাক্টিভিস্ট ও মানবাধিকার কর্মী
রাসেল আহমেদ, শিক্ষক এবং ক্যুয়ের অ্যাক্টিভিস্ট
মোঃ আবু সাঈদ, লেখক ও সম্পাদক
সঞ্চালকঃ
নাসরিন খন্দকার, নৃবিজ্ঞানী ও গবেষক, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক
২১ ডিসেম্বর, শনিবার
রাত ৯ টা (বাংলাদেশ সময়)
গণতন্ত্র আলাপটি দেখার ও শুনার জন্যে আপনাদের আমন্ত্রণ জানাই।