গণতন্ত্র-আলাপ পর্ব-৪ : কেমন ছাত্র রাজনীতি চাই?
ছাত্র রাজনীতি মানেই কি ক্যাম্পাসগুলোতে প্রধান প্রধান ছাত্র সংগঠনগুলোর চাঁদাবাজি, টেণ্ডারবাজি, অস্ত্রের ঝনঝনানি, দখলদারিত্বের প্রতিযোগিতা, কিংবা ফ্যাসিবাদী আমলে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের একক দখলবাজি? ছাত্র রাজনীতি মানেই কি জোর করে ক্ষমতাসীন দলের মিছিল মিটিং-এ বাধ্য করা, হলে হলে সিট বাণিজ্য, গণরুম-গেস্ট রুমে নিরীহ শিক্ষার্থীর ওপর নিপীড়ন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপরে হেলমেট পরে হামলে পড়া, এমনকি পুলিশ বাহিনীর পেছনে দাঁড়িয়ে ছাত্র-জনতার ওপরে গুলি চালানো? নাকি, এই সন্ত্রাসী-গুণ্ডা বাহিনীকে প্রতিরোধ করা, তথা অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্যে, ভাষার জন্যে, শিক্ষার জন্যে, স্বৈরাচারের পতনের জন্যে, দেশের জন্যে, এমনকি ফ্যাসিবাদকে ক্ষমতা থেকে নামানোর জন্যে অকুতোভয় লড়াই করাও ছাত্র রাজনীতি?
কোন ছাত্র রাজনীতি চাইবো আমরা? মানুষের অধিকারের পক্ষে - অধিকার আদায়ের রাজনীতি, নাকি অধিকার হরণের রাজনীতি?
ছাত্র রাজনীতি কি কেবল ক্যাম্পাস ও হল কেন্দ্রিক, কেবল শিক্ষার্থীর দাবি-কেন্দ্রিক হবে? নাকি, তা জাতীয় - আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়েও কথা বলবে? শিক্ষার্থীরা কি দলীয় বা "লেজুড়" রাজনীতি থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনধারার রাজনীতি করবে? নাকি দলীয় রাজনীতিতেও শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখার দরকার আছে? গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি কেমন হবে? আর, কেমন ছাত্র রাজনীতিই বা আমরা চাই না? এই নিয়েই আমাদের গণতন্ত্র-আলাপ পর্ব-৪。
আলোচকঃ
তুহিন খান, লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট
সালমান সিদ্দিকী, সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ও সমন্বয়ক, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট
মানসুরা আলম, জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল
অংকন চাকমা, সভাপতি, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ
সানজানা আফিফা অদিতি, সমন্বয়ক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
সঞ্চালকঃ
নাদির আহমেদ, সদস্য, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক
৯ নভেম্বর শনিবার, বাংলাদেশ সময় রাত ৯:০০ টা
ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।