গণতন্ত্র-ওয়েবসভা ২: সংবিধান, আইন ও 'নারী'
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান - নারীরা সবখানে সমান তালে অংশ নিয়েছে, ছাত্রলীগের হেলমেট বাহিনীর হাতে ঢাকার রাস্তায় বেধড়ক মার খেয়ে রক্তাক্ত হওয়া, তারপরে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীহলগুলো থেকে নেমে পড়া, ছাত্রলীগকে হল ও ক্যাম্পাসগুলো থেকে অবাঞ্ছিত করা থেকে শুরু করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে, সারাদেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে, সমন্বয়কদের কমিটিতে, সর্বত্র নারীর সরব উপস্থিতি ছিল। মার খেয়েছে, গুলি খেয়েছে, আহত হয়েছে, শহীদ হয়েছে। পুলিশের ভ্যানের সামনে অকুতোভয় দাঁড়িয়েছে। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতি আঁকা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, রাস্তাঘাট-আবর্জনা পরিস্কার, মন্দির পাহারার কাজে যুক্ত থেকেছে। অথচ, এরপরে সেই নারীকে বিযুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। নারীর ওপরে আক্রমণও শানানো হচ্ছে, বিভিন্ন জায়গায় নারীর পোশাক-আশাক, স্বাধীন চলাফেরায় হস্তক্ষেপ করতে দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে, বিভিন্ন কমিশনে, নারীর উপস্থিতি আনুপাতিক হারে খুবই কম বা নেই।
আমাদের সংবিধান ও আইন, তথা পুরো রাষ্ট্রীয় কাঠামো চরম অগণতান্ত্রিক এবং ফ্যাসিবাদের মূল বীজ এসবের মাঝেই লুকায়িত। ঠিক তেমনি আমাদের সংবিধান, আইন, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরতে পরতে পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্য বিরাজমান। আমাদের এই পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্যবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলই রাজনৈতিক পরিসরে ফ্যাসিবাদের জন্ম দেয়। সে জায়গা থেকেও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলোতে পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্য দূর করা দরকার। নারীকে যুক্ত করা দরকার, নারীর বক্তব্য শুনা দরকার。
সে লক্ষেই আমাদের দ্বিতীয় গণতন্ত্র-ওয়েবসভার বিষয়ঃ সংবিধান, আইন ও 'নারী'
মূল প্রবন্ধ লিখেছেন ও উপস্থাপন করছেনঃ নাদিয়া ইসলাম, সদস্য, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক
আলোচনা করছেনঃ
শরমিন্দ নীলোর্মি, অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
নাদিরা ইয়াসমিন, সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, নরসিংদী সরকারী কলেজ এবং সম্পাদক, নারী অঙ্গন
ইসাবা শুহরাত, সংগঠক, শেকল ভাঙার পদযাত্রা
সঞ্চালনা করচেনঃ
ইশরাত জাহান ঊর্মি, সাংবাদিক